খুবির ডিএস ডিসিপ্লিনের ১৩ ব্যাচের শিক্ষাসমাপনী উৎসবে উপাচার্য: “উন্নয়ন ভাবনা ভাবতে হলে আগে আমাদেরকে বঙ্গবন্ধুর উন্নয়ন দর্শন নিয়ে অধ্যয়ন করতে হবে”


Khulna University photo-1(1)

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান বলেছেন আমাদের দেশের উন্নয়ন ভাবনা ভাবতে হলে আগে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উন্নয়ন দর্শন নিয়ে অধ্যয়ন করতে হবে। আজ আমরা যে রূপকল্পের কথা শুনি বাংলাদেশকে নিয়ে সেই রূপকল্প প্রথম করেন বা দেখেন বঙ্গবন্ধু। তাঁর ভাবনার মধ্যেই ছিলো স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ, একটি স্বাধীন দেশ ও জাতির অর্থনৈতিক মুক্তি। তিনি এ দেশ নিয়ে,  দেশের মানুষের উন্নয়ন নিয়ে যে স্বপ্ন দেখেন সেই স্বপ্নের কথা জানতে হলে তাঁর সেই উন্নয়ন  দর্শন নিয়ে ভাবতে হবে। তিনি যে স্বপ্নের দেশের কথা ভাবতেন তা বাস্তবায়ন করতে গেলে তাঁকে নিয়ে অধ্যয়ন করতে হবে। এ দেশের উন্নয়ন ভাবনা যদি ভাবতে হয়, তবে বঙ্গবন্ধুকে বাদ দিয়ে তা হতে পারে না। তাঁর মতো যদি দেশকে, দেশের মানুষকে ভালোবাসা যায় তবে দেশে দুর্নীতি হবে না। তিনি আজ ৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনস্থ সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে ডিভেলপমেন্ট স্টাডিজ ডিসিপ্লিনের ১৩ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সমাপনী উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা রাখতে গিয়ে এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ, সমাজ বিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. শাহনেওয়াজ নাজিমুদ্দিন আহমেদ, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. এস এম রফিজুল হক ও ছাত্রবিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. আশীষ কুমার দাশ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিন প্রধান কাজী হুমায়ুন কবীর। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য ডিসিপ্লিনের প্রাক্তন প্রধান প্রফেসর ড. দিলীপ কুমার দত্ত, মোঃ হাসান হাওলাদার, বায়েজিদ খান । শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিদায়ী ব্যাচের শিক্ষার্থী ফারহানা হক মৌ, অনুজ ব্যাচের তাসনিম হাসানাত।  স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনের শিক্ষক  মোঃ জোবায়ের হোসাইন।
প্রধান অতিথি আরও বলেন, আমাদের জাতীয় সঙ্গীতের মধ্যে আছে দেশপ্রেমের উপাদান। তাই  কেউ যদি অন্তর দিয়ে জাতীয় সঙ্গীত গায়,এর মর্মবাণী উপলব্ধি করতে পারে সে কখনও বিপথগামী হতে পারে না, সাম্প্রদায়িক চিন্তা করতে পারে না। তিনি বলেন একটি প্রতিষ্ঠানকে ভালোবাসা মানেই সেখানকার সবকিছুই ভালোবাসা। বিশ্ববিদ্যালয় জীবন হচ্ছে মানুষের জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়, স্মৃতিময় সময় যা কখনও ভোলা যায় না। তিনি ডিভেলপমেন্ট স্টাডিজ ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীদেরকে বাংলাদেশের উন্নয়নে নিবেদিত হয়ে কাজ করার আহবান জানান। অনুষ্ঠানে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে বরণ করা হয়। এ ছাড়া ডিসিপ্লিনের আন্তঃব্যাচের মধ্যে ক্রীড়া অনুষ্ঠানে চ্যাম্পিয়ন ও রানার আপ ব্যাচের হাতে ট্রফি তুলে দেন প্রধান আতিথি। পরে রাতে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।