খুবিতে প্রভাষক পদে যোগদানকারী শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে উপাচার্য


আদর্শ শিক্ষক হতে হলে নিরন্তর
জ্ঞান সাধনায় ব্রত হতে হবে

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৬ তম সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ডিসিপ্লিনে নিয়োগ আদেশপ্রাপ্ত ২৯ জন প্রভাষকের মধ্যে ২৮ জন যোগদান করেছেন। আরও একজনের যোগদানের কথা। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাদান ও গবেষণা কার্যক্রমে প্রভাষক পদে যোগদানকৃত নতুন এ মেধাবী শিক্ষকবৃন্দকে উপাচার্য ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এ উপলক্ষ্যে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ প্রশাসন ভবনের সম্মেল কক্ষে আজ বিকেল সাড়ে ৩টায় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামানের সভাপতিত্বে নিয়োগপ্রাপ্ত নতুন শিক্ষকদের নিয়ে এক পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপাচার্য শিক্ষকতার মহৎ পেশায় যোগদানকৃত নতুন শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন পৃথিবীতে যতো পেশা আছে তার মধ্যে শিক্ষকতা পেশার মতো আর কোনো মহান পেশা নেই,সম্মানের পেশা নেই। সে জন্য শিক্ষকদেরকে জাতির মেরুদন্ড বলা হয়। শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের আদর্শ অনুসরণ করে। তাদের মাধ্যমেই সমাজ পরিবর্তীত হয়, দেশ ও জাতি অভীষ্ট লক্ষ্যে এগিয়ে যায়। তাই প্রত্যেক শিক্ষককে সত্যবাদী, ন্যায়পরায়ণ, নিষ্ঠাবান, জ্ঞানব্রতী হতে হবে। তিনি আরও বলেন প্রত্যেক শিক্ষকই একজন দার্শনিক। একজন আদর্শ শিক্ষক হতে হলে তাঁর মধ্যে মাল্টিডিসিপ্লিনারী জ্ঞান থাকতে হবে। সবসময়ই পড়াশোনা, জ্ঞান চর্চা তথা গবেষণা নিয়ে ভাবতে হবে। নিতন্তর জ্ঞান সাধনায় ব্রত হতে হবে। কারণ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের প্রধান দায়িত্ব শিক্ষাদান ও গবেষণা। নিয়োগ আবেদনকারীদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ মেধাবী ও যোগ্য প্রার্থীকে নিয়োগ দিয়েছেন বলে উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাকার্যক্রমে আরও গতি সঞ্চার হবে। তিনি আরও বলেন এদেশেরই সন্তানেরা আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হচ্ছেন, রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্তরে নিয়োগ পাচ্ছেন, শিক্ষাসহ সকল ক্ষেত্রে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, কর্মসংস্থান হচ্ছে এই যে সাফল্য এর পেছনে একজন মানুষের অবদান আমাদের স্মরণ করতেই হবে, তাঁর কাছে জাতি চিরকাল ঋণী। তাঁর স্বপ্ন, অসীম ত্যাগ, দূরদর্শী নেতৃত্ব ও অবদানের কারণেই, মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে, ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন দেশ ও জাতি হিসেবে আমরা এসব সুযোগ পাচ্ছি। এসময় নতুন শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে আরও বক্তব্য রাখেন ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস। বিভিন্ন ডিসিপ্লিনে নতুন যোগদানকারী ২৮ জন শিক্ষকের মধ্যে অনুভূতি ব্যক্ত করে বক্তব্য রাখেন শেখ আব্দুস সামাদ, মোঃ শহিদুল ইসলাম, মুহাঃ রামিজ আফরোজ শাহী, তাহমিনা পারভীন, শায়লা সিদ্দিকা, মোঃ মারুফ বিল্লাহ, তাসনুভা ইয়াসমিন, মোঃ আঃ মালেক, কাজী মুরাদ হোসেন, রুম্পা কু-ু, মাজিদুল ইসলাম, নূর মোহাম্মদ খান, সৈয়দ আজহারুল ইসলাম, শারলিন আলাউদ্দিন।